এখানে আপনার ব্যানার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করুন
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন: +8801836510168
জাতীয়
সকল খবর
ব্রেকিং
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
পেয়ার আলী, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে ভোট গণনা শেষে তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম।নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৫৩ ভোট।ফলাফল অনুযায়ী, দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৩৬। উল্লেখযোগ্য এই ব্যবধানে জয়লাভের মধ্য দিয়ে আসনটিতে নিজের অবস্থান সুসংহত করলেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন।বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ভোট প্রদানের হার ছিল ৬৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ।ভোটগ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ভোট গণনা করা হয়। পরে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।সংসদ সদস্য হওয়ার পথে মির্জা ফয়সল আমীনউপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নতুন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পথে এগিয়ে গেলেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরই তাঁর নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হবে।ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী এলাকার ভোটারদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ উপনির্বাচনের ফলাফল স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এখন নির্বাচনের পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা ও নতুন সংসদ সদস্যের দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
৬৮ হাজার চালককে প্রশিক্ষণ দেবে বিআরটিসি, লাইসেন্সের সঙ্গে পাবেন ভাতাও
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
ব্লাইন্ড এডুকেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন
আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে --- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
রাজউকের আওতাধীন লেকগুলো দূষণমুক্ত করতে কারিগরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত"
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা রয়েছে -নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্নরাজনীতি
সকল খবর
ব্রেকিং
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয়ের সমীকরণে হিন্দু ভোটাররা, নজর বিএনপি-জামায়াতের
(প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ভোটারকে ঘিরে দুই দলের কৌশলগত প্রচারণা, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন ভোটাররা রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামের চায়ের দোকান, হাটবাজার ও পাড়া-মহল্লায় চলছে নির্বাচনি আলোচনা। এই আসনে জয়-পরাজয়ের হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার হিন্দু ভোটার। তাদের ভোট নিজেদের পক্ষে টানতে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীরা।স্থানীয়দের মতে, আসনটিতে হিন্দু ভোটারদের অবস্থান নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই ভোটারদের সমর্থন পেতে এবার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। অন্যদিকে, প্রচলিত নির্বাচনি সমীকরণ বদলে দিয়ে তাদের ভোট নিজেদের পক্ষে নিতে মাঠে সক্রিয় রয়েছে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত জামায়াতে ইসলামী।নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী এলাকা নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভোটার রয়েছেন, যা মোট ভোটারের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি।ফলে এই ভোটারদের সমর্থন নির্বাচনের ফলাফলে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভোটাররা।গত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি হিন্দু ভোটারদের সমর্থন ছিল বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। এবার তার ছোট ভাই ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীনের সামনে সেই সমর্থন ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ রয়েছে।হিন্দু অধ্যুষিত গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ বাড়িয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জানমালের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছেন তারা।বিএনপির নেতারা বিভিন্ন পথসভা ও মতবিনিময় সভায় বলছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের অগ্রাধিকার।বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, হিন্দু ভোটাররা এখন আর আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংকে সীমাবদ্ধ নেই। ঠাকুরগাঁওয়ের হিন্দু সম্প্রদায় বিএনপির ওপর আস্থা রেখে ইতিবাচক প্রতিফলন পেয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা বিএনপির পাশেই থাকবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।অন্যদিকে, হিন্দু ভোটারদের সমর্থন আদায়ে সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেন। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তার দলের নেতাকর্মীরা।জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নির্বাচিত হলে এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব ও অস্থিতিশীলতা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি সব সম্প্রদায়ের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন তারা।১১ দলীয় জোটের মনোনীত জামায়াত প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করেছেন এবং তাদের বোঝার চেষ্টা করেছেন। তাদের জীবনমান উন্নয়নে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এ কারণে হিন্দু ভোটাররা তাকে ভোট দেবেন বলে তিনি আশাবাদী।নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর নানা প্রতিশ্রুতির মধ্যে নিজেদের অধিকার, নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন হিন্দু ভোটাররা।ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী বলেন, তারা ভেবেচিন্তে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন। আগের মতো এবারও তাদের কিছু প্রত্যাশা রয়েছে। শান্তিতে বসবাস, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং জানমালের নিরাপত্তা তাদের প্রধান চাওয়া। যে দল ও প্রার্থী এসব বিষয়ে আস্থা দিতে পারবেন, তারা তাকেই বেছে নেবেন।ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাপস দেবনাথ বলেন, বিগত নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ের হিন্দু ভোটাররা একজোট হয়ে একজন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিলেন। তবে এবারও তারা একইভাবে নির্দিষ্ট কোনো দলের দিকে ঝুঁকবেন, এমন ধারণা করা ঠিক হবে না। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটাররা এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর যোগ্যতাও বিবেচনায় নিচ্ছেন।ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন পাঁচজন প্রার্থী। তারা হলেন—বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের ৯৮৯টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা চলবে ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত।রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে তারা আশাবাদী। প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে হিন্দু ভোটারদের সমর্থন আদায় দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ভোটারদের বক্তব্যে স্পষ্ট, কোনো দলের ঐতিহাসিক সমর্থক হিসেবে পরিচিত থাকাই এবার ভোট পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়। নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, প্রার্থীর যোগ্যতা ও জনকল্যাণে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নই শেষ পর্যন্ত ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে বিরোধী দল ধোঁকাবাজি করেছে- প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার একাকার হয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
গাজীপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল পথসভা
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
তিতাসের জগতপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মকবুল হোসেনের গণসংযোগ
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
সংসদে নতুন বিল পাস: নাগরিক সুবিধায় নতুন নিয়ম
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্নস্পনসরড কন্টেন্ট / ব্যানার বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন: +8801836510168
আন্তর্জাতিক
সকল খবর
ব্রেকিং
মাদ্রিদে স্পেনের রাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
আলী আহসান রবি ঢাকাপররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, এমপি শামা ওবায়েদ ইসলাম, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মাদ্রিদে স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র ও বৈশ্বিক বিষয়ক রাষ্ট্রসচিব দিয়েগো মার্তিনেজ বেলিওর সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন।বৈঠকের শুরুতে, প্রতিমন্ত্রী স্পেনের টোলেডোতে আজ সকালে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানান।বৈঠকটি গঠনমূলক ছিল এবং এতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততার ওপর আলোচনা কেন্দ্রীভূত ছিল। আলোচনায় বিদ্যমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করা হয়। এ প্রসঙ্গে উভয় পক্ষ ব্যবসায়িক আদান-প্রদান, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, প্রদর্শনীর আয়োজনসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ওপর জোর দিয়েছে।প্রতিমন্ত্রী সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে বৃহত্তর সহযোগিতার সম্ভাবনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকের পূর্ব-স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা ক্রীড়া কূটনীতি, সৃজনশীল অর্থনীতি, শিল্পকলা এবং পর্যটন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও মতবিনিময় করেন। দেশব্যাপী ক্রীড়া প্রসারে সরকারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন যে, ক্রীড়া জনগণের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে।স্পেনে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মূল্যবান অবদান এবং দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে তাদের ভূমিকার স্বীকৃতি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী দক্ষ জনপ্রতিনিধিত্বের জন্য আইনি পথের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইইউ ট্যালেন্ট পার্টনারশিপস উদ্যোগে স্পেনের অংশগ্রহণে উৎসাহিত করেন। তিনি মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শূন্য সহনশীলতা নীতির কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।স্পেনের পক্ষ থেকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। জনাব বেলিও ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততার সম্ভাবনাকে আশাব্যঞ্জক হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এই প্রচেষ্টায় স্পেনের সমর্থনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। তাঁরা সম্মত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি এবং বিভিন্ন চুক্তির জন্য চলমান অন্যান্য আলোচনা দ্রুত সম্পন্ন করতে সম্মত হয়েছেন এবং যত দ্রুত সম্ভব দ্বিতীয় বাংলাদেশ-স্পেন পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ সভা আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। উভয় পক্ষই সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিতে নিয়মিত উচ্চ-পর্যায়ের আলোচনা বিনিময়ের গুরুত্বের ওপরও জোর দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬ হতে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জাপানে সরকারি সফর করবেন
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গা মামলাকে সমর্থন করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রসমূহ
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ–আজারবাইজান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সাথে 'রোসাটম' এর মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভের বৈঠক
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্নঅর্থনীতি
সকল খবর
ব্রেকিং
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী
আলী আহসান রবি ঢাকাঅর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছন,সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও 'সফট পাওয়ার' হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। শিল্প-সংস্কৃতি, গ্রামীণ কারুশিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র ও থিয়েটারকে মূলধারার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত করে দেশের নতুন জিডিপি প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের 'সফট পাওয়ার' (সাংস্কৃতিক শক্তি) হিসেবে গড়ে তোলতে হবে।আজ রাজধানীর হোটেল শেরাটন বনানীতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত Creative Footprints বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথাগত অর্থনৈতিক ভাবনায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে সবসময় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে রাখা হয়েছিল। বর্তমান সরকার এই চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে এসে সৃজনশীল অর্থনীতিকে দেশের অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষা ও প্রবৃদ্ধির নতুন উপাদান হিসেবে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।তিনি বলেন, সরকারের একার পক্ষে সবকিছু বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তাই নীতি ও অর্থায়নের পাশাপাশি বেসরকারি খাত এবং এনজিওগুলোর সাথে শক্তিশালী অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এই খাতকে সামনে এগিয়ে নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে সরকার বাজেটে এর জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করেছে এবং বেসরকারি খাতও এতে বড় ধরনের অর্থায়ন করতে এগিয়ে আসছে।সৃজনশীল খাতের প্রসারে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, দেশীয় কারুশিল্পী, চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজাইনিং, ব্র্যান্ডিং এবং আমাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিপণন সহায়তা প্রদান করা হবে। এতে করে দেশের প্রান্তিক শিল্পী ও কারুশিল্পীদের তৈরি পণ্যের সঠিক মূল্যায়ন ও নগদায়ন সম্ভব হবে, যা তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অবদান রাখবে।বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক উপাদানের গুরুত্ব জোর দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি কেবল শিল্প, কারুশিল্প বা ব্যবসা নয়; এটি বাংলাদেশের জন্য একটি 'সফট পাওয়ার'। সঙ্গীত, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও হস্তশিল্পের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে নিজস্ব অবস্থান শক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য।অর্থমন্ত্রী আয়োজক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনকে তাদের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং আগামী দিনে সরকারি-বেসরকারি যৌথ প্রচেষ্টায় দেশে একটি সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লব সাধিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার Sarah Cooke। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এনামুল হক ।
চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রোডম্যাপ তৈরিতে মতামত নেওয়া হবে অংশীজনদের
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল, বাড়তে পারে পরিবহন ও জীবনযাত্রার ব্যয়
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
রপ্তানি আয় বাড়াতে নতুন প্রণোদনা সুবিধা ঘোষণা
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্নখেলা
সকল খবর
উৎসবমুখর কালীগঙ্গায় নৌকা বাইচ, যৌথ চ্যাম্পিয়ন একতা-২ ও কালাম এক্সপ্রেস
আলী আহসান রবি মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কালীগঙ্গা নদীতে আজ উৎসবমুখর পরিবেশে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নৌকা বাইচের উদ্বোধন করেন এবং প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।বেউথা কালীগঙ্গা নদীর কান্দাপৌলী এলাকা থেকে নয়াকান্দি মোড় পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ নৌকা বাইচে কুড়িগ্রাম, পাবনা, দোহার, নবাবগঞ্জ, টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ২৪টি নৌকা অংশ নেয়।নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে কালীগঙ্গা নদীর দুই তীরে বসে অস্থায়ী দোকানপাট, খাবারের স্টল ও নানা ধরনের বিনোদনের আয়োজন। নাগরদোলাসহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক বড় লোকজ মেলায়। নদীর দুই পাড়ে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। উৎসাহ-উদ্দীপনায় তারা নৌকা বাইচ উপভোগ করেন। নদীতে টলার, স্পিডবোট ও নৌকায় করেও বিপুলসংখ্যক মানুষ উৎসবে অংশ নেন। অনেককে গান গেয়ে, নেচে এবং বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে আনন্দ-উৎসবে অংশ নিতে দেখা যায়।প্রতিযোগিতার শেষ পর্যায়ে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার একতা-২ ও কালাম এক্সপ্রেস নৌকার মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। প্রতিযোগিতার অধিকাংশ সময় কালাম এক্সপ্রেস এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যায়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নৌকাটি ডুবে যায়। এ অপ্রত্যাশিত ঘটনায় খাদ্য মন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি উভয় নৌকাকে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করার জন্য আয়োজক কমিটিকে অনুরোধ করেন। পরে একতা-২ ও কালাম এক্সপ্রেসকে যৌথভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।নৌকা বাইচের উদ্বোধনের পর খাদ্য মন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি স্পিডবোটে করে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে নদীর দুই তীরে অবস্থানরত দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত নৌকা বাইচে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির। এ ছাড়া জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।নৌকা বাইচ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আ. তা. ম. জহির আলম খান লোদীর সভাপতিত্বে প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে নৌকা বাইচে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়া হয়। ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদেরও পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়া ১১৫ হাত দীর্ঘ কলাগাছের ভেলা তৈরি করে নৌকা বাইচে অংশগ্রহণকারী দলকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।খাদ্য মন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি বলেন, “মানিকগঞ্জের মানুষ সংস্কৃতিমনা। কালীগঙ্গা নদীর নৌকা বাইচ এ অঞ্চলের ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আজকের আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতেও এ ঐতিহ্য ধরে রেখে প্রতিবছর নৌকা বাইচ আয়োজন করা হবে এবং সবাই মিলে তা উপভোগ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”তিনি নৌকা বাইচে অংশগ্রহণকারী সব প্রতিযোগী, আয়োজক, প্রশাসন ও সর্বস্তরের দর্শনার্থীদের ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
দিনাজপুর বীরগঞ্জে কে এফ টি কবিরাজহাট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
দিনাজপুর বীরগঞ্জে নারী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
ওয়ারিয়র্স হ্যান্ডবল লিগে চ্যাম্পিয়ন বিজিবি ( ফাইনালে আনসারকে ৩৭-৩৩ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়, সেরা খেলোয়াড় তাজু হাসান)
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
ত্রিশালে তালতলা স্পোর্টস একাডেমির উদ্যোগে ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
দারুণ জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ দল
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্নতথ্যপ্রযুক্তি
সকল খবর
তথ্যপ্রযুক্তির সুফল ও কুফল
নিজস্ব প্রতিবেদকবর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, কৃষি, ব্যাংকিং ও প্রশাসনসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষের জীবন যেমন সহজ ও গতিশীল হয়েছে, তেমনি এর অপব্যবহারের কারণে নানা সমস্যাও সৃষ্টি হচ্ছে।তথ্যপ্রযুক্তির অন্যতম সুফল হলো দ্রুত যোগাযোগ। ইন্টারনেট ও মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষের সঙ্গে মুহূর্তের মধ্যে যোগাযোগ করা সম্ভব। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী সংগ্রহ, ক্লাসে অংশগ্রহণ ও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকার মানুষও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারছে। অনলাইন ব্যাংকিং ও ই-কমার্স মানুষের সময় ও শ্রম সাশ্রয় করছে। সরকারি বিভিন্ন সেবাও প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজলভ্য হচ্ছে।তবে তথ্যপ্রযুক্তির কিছু কুফলও রয়েছে। অতিরিক্ত মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ কমতে পারে এবং সময়ের অপচয় হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সাইবার অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, গুজব ও ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়াও বর্তমানে বড় উদ্বেগের বিষয়। এ ছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রায় মানুষের সরাসরি পারস্পরিক যোগাযোগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, তথ্যপ্রযুক্তি নিজে ভালো বা খারাপ নয়; এর সুফল ও কুফল অনেকাংশে নির্ভর করে এর ব্যবহারের ওপর। তাই প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সচেতনতা বৃদ্ধি, সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে জ্ঞান এবং দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।সঠিক ও পরিমিত ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির সুফল গ্রহণ এবং এর ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ব্যক্তি ও সমাজের কল্যাণে প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারই হতে পারে উন্নত ও নিরাপদ ভবিষ্যতের অন্যতম চাবিকাঠি।
শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
সাইবার নিরাপত্তা রক্ষায় নতুন গাইডলাইন প্রকাশ
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
ফাইভ-জি সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI এর ব্যবহারে আসছে নতুন বৈপ্লবিক পরিবর্তন
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্নবিনোদন
সকল খবর
ব্রেকিং
দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ করা হবে----যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আলী আহসান রবি দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি জেলা স্টেডিয়ামগুলোকে আধুনিকায়ন করে খেলাধুলার উপযোগী করে তোলা হবে যাতে মানসম্মত খেলোয়াড় তৈরি করা সম্ভব হয়।শনিবার (৩১শে অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের হাজীপাড়া এলাকায় ইমপ্যাক্ট (ফেজ-৩) প্রকল্পের আওতায় পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি সাশ্রয়ী বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এসব কথা বলেন।খেলাধলার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাকে বর্তমান সরকার পেশাদারী পর্যায়ে নিয়ে যেতে চায়। এই লক্ষ্যে নতুন করে খেলাধুলার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোটো থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলার একটি আলাদা অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি বাড়িতে এবং গরুর খামার রয়েছে এমন এলাকায় বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা গেলে দেশের জ্বালানি সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। একই সঙ্গে তরুণেরা এই প্ল্যান্ট স্থাপন ও সংযোগ দেওয়ার মাধ্যমে নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবেন।আগামী দিনে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষিত ও বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বিভিন্ন যুগোপযোগী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের (টিটিসি) মাধ্যমে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে, যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দেশে ও বিদেশে সমানভাবে কাজের সুযোগ পান এবং স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেন।এর আগে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের উদ্বোধন করেন এবং পাঁচজন উদ্যোক্তার হাতে ঋণের চেক তুলে দেন।এসময় নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ুন কবির, সৈয়দপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকলিমা, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নতুন অ্যালবামের ঘোষণা দিলেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ছবির পুরস্কার পেল দেশীয় সিনেমা
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্নশিক্ষা
সকল খবর
ব্রেকিং
দখল-অবহেলা ও পরিবেশদূষণে অস্তিত্ব সংকটে চকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়( জরাজীর্ণ ভবন, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ও জলাবদ্ধতায় ব্যাহত পাঠদান; বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবি)
সোহেল খান দূর্জয়,নেত্রকোনা : নেত্রকোনা সদর উপজেলার পৌরশহরের চকপাড়ায় অবস্থিত চকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দখল, অবহেলা ও পরিবেশদূষণের কারণে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। জরাজীর্ণ ভবন, অপর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, স্যানিটেশন সংকট, জলাবদ্ধতা, ময়লা-আবর্জনা এবং বিদ্যালয়ের জমি বেদখলে থাকায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান। শিশুদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা থাকলেও নানা সমস্যায় জর্জরিত এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ প্রায় অনুপস্থিত।সরেজমিনে দেখা যায়, চার কক্ষবিশিষ্ট বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। পাঁচটি শ্রেণিতে মোট ১১২ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদানের জন্য রয়েছেন মাত্র পাঁচজন শিক্ষিকা। পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় দুই শিফটে পরিচালিত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। নিজস্ব খেলার মাঠ নেই, নেই পর্যাপ্ত স্যানিটেশন সুবিধা ও নিরাপদ সুপেয় পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। এমনকি টয়লেটের অভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশের বাড়ির শৌচাগার ব্যবহার করতে হয় বলে জানা গেছে। এসব সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।প্রবেশপথে জলাবদ্ধতা, আঙিনাজুড়ে ময়লা-আবর্জনাবিদ্যালয়টিতে প্রবেশের পথটিও শিক্ষার্থীদের জন্য যথেষ্ট দুর্ভোগের কারণ। প্রবেশপথের একটি অংশ ড্রেনের ওপর দিয়ে তৈরি। বিদ্যালয়ের আঙিনায় ঢুকতেই চোখে পড়ে ময়লা-আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জলাবদ্ধতা। রয়েছে অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং টয়লেটের সামনে অনিরাপদ পরিবেশে স্থাপিত খাবার পানির ট্যাপ।মূল ভবনে প্রবেশ করতেই দেখা যায় জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষ। ছাদ থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা। শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থাও নেই। ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে পাঠগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়েছে।বিদ্যালয়ের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগবিদ্যালয়টির সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে জমি বেদখলে থাকার অভিযোগ। বিদ্যালয়ের ভবনের বারান্দা ঘেঁষে দখলকৃত জায়গায় স্থানীয় প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে টয়লেট, রান্নাঘর ও দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। এসব স্থাপনা থেকে সৃষ্ট দুর্গন্ধ ও রান্নার ধোঁয়া শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলে অভিযোগ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিদ্যালয়ের জায়গা উদ্ধারের জন্য দখলকারীদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর সমাধান মেলেনি। ফলে জমির সীমাবদ্ধতার কারণে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, স্যানিটেশন সুবিধা ও শিশুদের খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে না।সাত শতাংশ জমিতে বিদ্যালয়ের কার্যক্রমবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা পিয়ারা বেগম বলেন, “আমি যখন বিদ্যালয়ে আসি, তখন এখানে তিন কক্ষবিশিষ্ট একটি টিনশেড ঘর ছিল। পরে ২০১০ সালে বিদ্যালয়টির পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এবং কিছু জায়গা বেদখলে থাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য সুপেয় পানি ও স্যানিটেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলো যথাযথভাবে নির্মাণ করা যায়নি।”তিনি আরও বলেন, “বিদ্যালয়ের মোট জমির পরিমাণ সাত শতাংশ, যা একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য পর্যাপ্ত নয়। শিশুদের মেধার বিকাশের পাশাপাশি শারীরিক বিকাশের জন্যও খেলার মাঠ থাকা জরুরি। কিন্তু জায়গার অভাব ও জমি বেদখলে থাকায় শিক্ষার্থীরা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশের প্রতিবেশীরা অনেকটা জোর করেই বিদ্যালয়ের জায়গায় অনধিকার প্রবেশ করছেন।”নতুন উদ্যোগে সংকট নিরসনের আশ্বাসবিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি চঞ্চল খান বলেন, “২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আমাকে বিদ্যালয়ের জমিদাতা হিসেবে সভাপতি করা হয়। এর আগে যিনি সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন, তিনি প্রভাবশালী হওয়া সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে কেন উদ্যোগ নেননি, তা আমার বোধগম্য নয়।”তিনি আরও বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে বিদ্যালয়ে প্রবেশের রাস্তাটি দেড় থেকে দুই ফুট প্রশস্ত ছিল। সেটি আট ফুট করা হয়েছে। পাশাপাশি টিনশেডের একটি টয়লেট ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে বিদ্যালয়ের প্রয়োজনের তুলনায় এসব সুবিধা এখনো খুবই অপ্রতুল।”নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শহীদুল আজম বলেন, “বিদ্যালয়টির স্যানিটেশন ও অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের। আগে যারা বিদ্যালয়টির অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের অবহেলা কিংবা প্রয়োজনীয় গুরুত্ব না দেওয়ার কারণেই আজকের এই সংকট তৈরি হয়েছে।”তিনি জানান, বিদ্যালয়টির যাবতীয় সমস্যা নিরসনে নতুন প্রকল্প ‘পিডিএ-৫’-এর প্রথম দিকে রাখা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত ও অন্যান্য সংকট নিরসন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরিএকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শুধু পাঠদানের স্থান নয়; এটি শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশের অন্যতম ভিত্তি। অথচ চকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জমি বেদখল, জরাজীর্ণ ভবন, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন, জলাবদ্ধতা ও পরিবেশদূষণের মতো সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করছে।এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, ভবন সংস্কার, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নির্মাণ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপই পারে বিদ্যালয়টিকে সংকট থেকে উত্তরণে সহায়তা করতে এবং শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে দিতে।
বর্তমান যুগে আমরা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর অনেক নির্ভর হয়ে পড়ছি ----শিক্ষামন্ত্রী
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খেলাধুলার বই: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
ব্যতিক্রমী উদ্যোগে শৃঙ্খলা ফিরেছে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে, বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
নিয়োগপত্র প্রাপ্তি বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান ---শিক্ষামন্ত্রী
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্নলাইফস্টাইল
সকল খবর
খাদ্যে ভেজাল: মানবতার বিরুদ্ধে নীরব হত্যাকাণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণের প্রথম প্রার্থনা। মানুষ বাঁচার জন্য খায়—খাওয়ার জন্য বাঁচে না। অথচ সেই বাঁচার অবলম্বনই যখন মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন এর চেয়ে বড় বেদনা, এর চেয়ে বড় অভিশাপ আর কী হতে পারে?আমরা মানব রূপে জন্মেছি—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অহংকার। আর এই অহংকারের ভিত্তি হলো মানবতা ও মনুষ্যত্ববোধ। মানুষের ভেতর থেকে যখন মনুষ্যত্ব হারিয়ে যায়, তখন সে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে নিজের মর্যাদাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে আমাদের মর্যাদার মূল ভিত্তি হলো একে অপরের প্রতি মমতা, সহমর্মিতা ও দায়বদ্ধতা। সেই মমতাই যখন হারিয়ে যায়, তখন মানুষ আর সত্যিকার অর্থে মানুষ থাকে না।আজ ভাবতে কষ্ট হয়—আমাদের মানবতাবোধ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? ব্যক্তিস্বার্থ ও অতিরিক্ত মুনাফার লোভে আমরা কি এতটাই অন্ধ হয়ে গেছি যে, সামান্য কিছু টাকার জন্য অন্যের মুখের গ্রাসে ক্ষতিকর উপাদান মেশাতেও দ্বিধা করি না?এটি কোনো ব্যবসা নয়—এটি মানুষের জীবনের সঙ্গে নির্মম প্রতারণা। খাদ্যে ভেজাল শুধু একটি অনৈতিক কাজ নয়; এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব মানুষের স্বাস্থ্য, পরিবার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর পড়ে।পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে মানুষ তার নিজের ভাই-বোনের খাবারে বিষ মেশায় কি না, জানি না। তবে আমাদের বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। চাল-ডাল থেকে শুরু করে দুধ, মাছ, ফলমূল, মসলা, প্রসাধনী কিংবা ওষুধ—বিভিন্ন পণ্যের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে মাঝেমধ্যেই প্রশ্ন ওঠে। একজন দরিদ্র মানুষ সারাদিনের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে যে খাবার কিনে রাতের ক্ষুধা মেটান, সেই খাবার যদি অনিরাপদ হয়, তাহলে তার কষ্টের মূল্য কোথায়?একজন মা তার শিশুর মুখে হাসি ফোটানোর জন্য যে দুধটুকু কিনে আনেন, সেটি যদি অনিরাপদ হয়, তাহলে সেই মায়ের বিশ্বাসের সঙ্গে কি আমরা প্রতারণা করছি না?আর সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয়—একজন অসুস্থ মানুষ যখন সুস্থ হওয়ার আশায় ওষুধ কেনেন, সেই ওষুধের মান নিয়েও যদি তাকে উদ্বিগ্ন হতে হয়, তাহলে তার চেয়ে অসহায় পরিস্থিতি আর কী হতে পারে?অনিরাপদ ও ভেজাল খাদ্য দীর্ঘমেয়াদে মানুষের শরীরে নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। কিডনি, লিভার, হৃদ্যন্ত্রসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি—আজকের অনৈতিক লাভের বিনিময়ে আমরা আগামী প্রজন্মের স্বাস্থ্য ও নিরাপদ ভবিষ্যৎকে কতটা ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছি?ভেজালকারী ভাই, একবার নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুনআপনি কার খাবারে ভেজাল দিচ্ছেন?সে আপনারই ভাই, আপনারই বোন, আপনার আত্মীয়, প্রতিবেশী কিংবা আপনার সন্তানের মতোই কোনো একজন মানুষ।আপনি যে টাকা লাভ করছেন, সেই টাকা দিয়ে হয়তো নিজের সন্তানের জন্য দামি খাবার কিনছেন। কিন্তু অন্যের সন্তানের মুখের খাবার যদি অনিরাপদ করে তোলেন, তাহলে একবার কি ভেবে দেখেছেন—আপনার নিজের সন্তান যদি সেই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের বিছানায় ছটফট করত, তখন আপনার কেমন লাগত?মনে রাখবেন—আইন আপনাকে শাস্তি দিতে পারে, কিন্তু বিবেকের আদালতের চেয়ে বড় আদালত আর নেই।আজ আপনি হয়তো মুনাফা করছেন; কিন্তু আপনার সেই মুনাফার মূল্য যদি অন্য একটি পরিবারের কান্না হয়, তবে সেই লাভের অর্থ কতটা মূল্যবান?রাষ্ট্রের কাছে আমাদের আকুতিখাদ্যে ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্যকে শুধু সাধারণ ব্যবসায়িক অনিয়ম হিসেবে না দেখে এর মানবিক ও জনস্বাস্থ্যগত প্রভাবকে গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।বাজারে বাজারে নিয়মিত ও কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিক্রির প্রতিটি পর্যায়ে মান নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনের আওতায় দ্রুত ও কার্যকর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।মানুষ যেন অন্তত নিশ্চিন্তে এক মুঠো ভাত খেতে পারে—এটাই হোক রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম অঙ্গীকার।ভেজালকারীদের প্রতি মানবিক আহ্বানফিরে আসুন।টাকার লোভে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না। ব্যবসা করুন, কিন্তু সততার সঙ্গে। মুনাফা করুন, কিন্তু মানুষের ক্ষতি করে নয়।মনে রাখবেন—পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় লাভ হলো মানুষের দোয়া।আপনার বিক্রি করা নিরাপদ ও নির্ভেজাল খাবার খেয়ে একজন মানুষ যখন সুস্থ থাকবে, একটি শিশু যখন নিরাপদে বেড়ে উঠবে, একজন মা যখন নিশ্চিন্তে তার সন্তানের হাতে খাবার তুলে দিতে পারবেন—তখন সেই মানুষের হৃদয়ের গভীর থেকে যে দোয়া বেরিয়ে আসবে, তার মূল্য কোটি টাকার চেয়েও বেশি।আসুন, আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা করিআমরা ভেজাল দেব না।আমরা ভেজাল খাব না।আমরা ভেজালকে প্রশ্রয় দেব না।যেখানে ভেজাল দেখব, সেখানেই প্রতিবাদ করব।নিরাপদ খাদ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে সচেতন করব।কারণ খাদ্য শুধু পেট ভরানোর জন্য নয়—খাদ্য হলো জীবন।আর জীবন নিয়ে খেলা করার অধিকার কারও নেই।
মানসিক প্রশান্তি ও মনোযোগ বাড়াতে নিয়মিত মেডিটেশন
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
সহজ উপায়ে ঘরে তৈরি করুন সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্নস্বাস্থ্য
সকল খবর
ব্রেকিং
তরুণ চিকিৎসকদের গতানুগতিক ধারার বাইরে মুক্তভাবে চিন্তা করতে হবে----স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত
আলী আহসান রবি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেছেন, দেশের তরুণ চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিশাল মেধা ও স্বপ্নকে কোনো নির্দিষ্ট ছাঁচে বা বাক্সে বন্দি না করে তাদের মুক্তভাবে চিন্তা করার সুযোগ করে দিতে হবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গতানুগতিক ধারার বাইরে তরুণদের নিজস্ব স্বপ্নের ক্যারিয়ার গড়ার পথ তৈরি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে নীতিনির্ধারক ও শিক্ষকরা কেবল সহায়ক বা অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবেন।শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ১৫তম মেডিকেল বায়োকেমিস্ট্রি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সরকারি ডঃ জিয়া হায়দার। সম্মেলন আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি অফ মেডিকেল বায়োকেমিস্ট। তরুণদের বিশ্বমানের গবেষক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষ করে মলিকুলার বায়োলজি এবং জেনেটিকস বা জিনতত্ত্বের ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসছে। হিউম্যান জিনোম প্রজেক্টের মতো বৈশ্বিক উদ্যোগে উন্নত বিশ্বের বাইরে বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশের পর্যাপ্ত ডাটা অন্তর্ভুক্ত না থাকায় এখনো বিশাল কাজের সুযোগ রয়েছে। এদেশের মেধাবী তরুণ চিকিৎসকরা একটু সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে বিশ্বমানের গবেষক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অধ্যাপক লিয়াকত আলীর অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা সীমিত থাকলেও একাগ্রতা ও ভিশন নিয়ে কিভাবে আন্তর্জাতিক মানের গবেষক হতে হয়, তিনি তার উজ্জ্বল উদাহরণ।সম্মেলনে মেডিকেল বায়োকেমিস্ট্রি খাতের বিভিন্ন সংকটের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, মেডিকেল কলেজগুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পুনরায় যুক্ত করা এবং তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত আরও বলেন, ২০০০ সালের দিকে সরকারের একটি সঠিক নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলেই আজ দেশে মেডিকেল বায়োকেমিস্ট্রিতে পোস্ট-গ্রাজুয়েট কোয়ালিফিকেশনধারী চিকিৎসকের সংখ্যা ৫৩০ ছাড়িয়েছে এবং সোসাইটির সদস্য সংখ্যা প্রায় ছয়শতে উন্নীত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে সঠিক পলিসি ইন্টারভেনশন কীভাবে একটি অবহেলিত খাতকে বদলে দিতে পারে।চিকিৎসা শিক্ষা, নার্সিং, ফার্মাসিউটিক্যাল এবং ডায়াগনস্টিক সার্ভিস—এই চারটি মূল স্তম্ভকে আরও শক্তিশালী করার ওপর দেয়ার পরামর্শ দিয়েড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের আধুনিক চিকিৎসা সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে এই চারটি স্তম্ভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম স্তম্ভ তথা মেডিকেল ডাক্তার ও বিভিন্ন শাখার বিশেষজ্ঞদের ক্ষেত্রে আমাদের দেশে কিছুটা ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি রয়েছে। বিশেষ করে পোস্ট-গ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে ফিজিওলজি বা বায়োকেমিস্ট্রির মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সংখ্যা অত্যন্ত কম, যা আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নিয়মিত চ্যালেঞ্জ।সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হলেন অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের সভাপতি প্রফেসর মেজর জেনারেল ( অব) ডা দেবাশীষ সাহা, মহাসচিব ডা সৈয়দা শাহীনা সোবহান প্রমুখ।
আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই; রোগ প্রতিরোধই সরকারের মূল অগ্রাধিকার
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তরে জাতীয় হ্যাকাথনের ডাক--- স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
প্রতিটি উপজেলায় ডেঙ্গুর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন